পশ্চিম বর্ধমান জেলায় বালির অবৈধ কারবার নিয়ে সরব কংগ্রেস নেতা দাম নিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের আর্জি
*বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* পশ্চিম বর্ধমান জেলায় এই মুহুর্তে বালি নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ থেকে যে কোন ধরনের নির্মাণ কাজের যুক্ত ঠিকাদার, মিস্ত্রি থেকে কর্মীরা। চড়া দামে বালি কিনতে গিয়ে কার্যত নাজেহাল অবস্থা বলতে গেলে সবারই।আর এবার এই বালি ইস্যু নিয়ে সরব হলেন প্রদেশ কংগ্রেসের নেতা প্রসেনজিৎ পুইতুন্ডি। মঙ্গলবার সাংবাদিকদেরকে প্রসেনজিৎ পুইতুন্ডি বলেন, বর্তমান প্রশাসন অবৈধ বালি উত্তোলন হতে দেবে না বললেও, আসল সত্য হলো পশ্চিম বর্ধমান জেলার বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে আসানসোল পুরনিগমের বিভিন্ন ওয়ার্ডে অবৈধ বালির ব্যবসা অবাধে চলছে। তিনি আরো বলেন, জামুড়িয়া, বারাবনি, দামোদর, ডামরা সহ বিভিন্ন এলাকায় বালি উত্তোলন নদী থেকে চলছে।














প্রশাসন শুধু বলেছে যে বালির ব্যবসা আপাতত বন্ধ। কিন্তু আসল সত্য তা নয়। অবৈধ বালির ব্যবসা চলছেই। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান শাসক দলের শীর্ষ নেতারা কোনো না কোনোভাবে এই পুরো ঘটনাকে সমর্থন করছেন। আর সেই কারণেই এই অবৈধ কার্যকলাপ তৃণমূল স্তর থেকে পরিচালিত হচ্ছে। প্রসেনজিৎ পুইতুন্ডি আরো বলেন, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, যখন জানা যায় কোনো ট্রাক্টর বর্তমান শাসক দলের কোনো নেতার সঙ্গে যুক্ত নয়, তখন সেটিকে বালি পরিবহনের অনুমতি দেওয়া হয় না।
বোঝাই ট্রাক্টর খালি করে শাসক দলের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের পৃষ্ঠপোষকতায় বালি পরিবহন করা হয়। তিনি বলেন, কোন কোন থানা এলাকায় এটি বড় আকারে ঘটছে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কিন্তু সত্য হলো, অবৈধ বালির ব্যবসা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। যার ফলে বালির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। বলতে গেলে বালি মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। তিনি প্রশাসনকে এই পরিস্থিতির পরিবর্তন হস্তক্ষেপের দাবি জানান। কারণ নির্মাণ শিল্পের সঙ্গে হাজার হাজার মানুষ জড়িত রয়েছেন।


