আসানসোলে বিজেপির জেলা কার্যালয়ে ভূমিপুজো সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন নিয়ে বিরোধীদের আক্রমণ
বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* আসানসোলের ১৯ নং জাতীয় সড়কে শীতলা এলাকায় বিজেপির জেলা কার্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণে মঙ্গলবার আয়োজিত হল ভূমিপুজো অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল। তাঁর সঙ্গে অনুষ্ঠানে অংশ নেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়, জিতেন্দ্র তেওয়ারি, অরিজিৎ রায় সহ অন্য বিধায়ক, জেলা সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য সহ বিজেপির জেলা নেতৃত্ব, বিভিন্ন স্তরের পদাধিকারী এবং বহু কর্মী ও সমর্থক।











বিজেপি সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই জেলা কার্যালয়টি বিজেপির সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে দলের যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় করার উদ্দেশ্যে গড়ে তোলা হচ্ছে। একটি স্থায়ী কার্যালয় থেকে জেলা স্তরের সাংগঠনিক কাজকর্ম পরিচালনা, দলীয় বৈঠক, কর্মী সম্মেলন এবং বিভিন্ন কর্মসূচির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন আরও সুশৃঙ্খলভাবে করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে দলীয় নেতৃত্ব।এদিনের ভূমিপুজো অনুষ্ঠানে নতুন কার্যালয়ের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়। বিজেপি নেতৃত্বের মতে, জেলা কার্যালয় কেবল দলীয় কাজকর্ম পরিচালনার কেন্দ্র নয়, বরং কর্মীদের সঙ্গে নেতৃত্বের সমন্বয় বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও অভাব-অভিযোগ শোনার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।


নতুন পরিকাঠামো গড়ে ওঠার ফলে দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়।পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা সুনীল বনসলের উপস্থিতি এই অনুষ্ঠানের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ছিল। তাঁর উপস্থিতিতে জেলা স্তরের নেতৃত্ব ও কর্মীদের একাংশের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ দেখা যায়। আসানসোল তথা পশ্চিম বর্ধমান জেলায় দলের সাংগঠনিক পরিকাঠামোকে আরও সুসংহত করার লক্ষ্যেই এই নতুন কার্যালয় নির্মাণের উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুনীল বনসল বলেন, দুর্গাপূজোর আগে আসানসোলে দলের নতুন জেলা কার্যালয় তৈরি করার জন্য ভূমিপুজো করা হলো। এই প্রথম বাংলায় প্রচুর উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে দুর্গাপূজোর আয়োজন করা হচ্ছে। সর্বস্তরের মানুষেরা এবারের পুজোতে অংশ নিচ্ছেন। যা, এর আগে কোনদিনও হয়নি।
তিনি আরো বলেন, এখন আর পুজোর আয়োজনের জন্য কারোর অনুমতি নিতে হবে না। বলা যেতে পারে, বাংলায়একটা নতুন সাংস্কৃতিক পরিবেশ তৈরি। দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা নিয়ে সুনীল বনসল বিরোধীদের আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, এই আন্দোলনে কিছু হওয়ার নেই। এটা পুরোপুরি ” পলিটিকাল নৌউটাঙ্কি বা রাজনৈতিক নাটক “। তার বিরোধী নিজেদের হারের দায় অন্য কারোর উপরে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

