রানিগঞ্জে রাস্তা অবরোধ নিয়ে বিজেপির অন্দরে কোন্দল প্রকাশ্যে, চাপানওতোর
বেঙ্গল মিরর, রানিগঞ্জ, চরণ মুখার্জী ও রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* বিজেপির পতাকা হাতে বেশ কিছু বিজেপি কর্মী ও সমর্থক একটা রানিগঞ্জে চাঁপুই রতিবাটি রাস্তা অবরোধ করেন। বিজেপি নেতৃত্বের অনুমতি ছাড়াই এদিন এই রাস্তা অবরোধ করা হয়েছে বলে বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছেন।এই প্রসঙ্গে এদিন বিজেপির জামুরিয়া মণ্ডল ৩-র সম্পাদক রাজু বাদ্যকর দাবি করেছেন যে, এই রাস্তা অবরোধের কারণে সাধারণ মানুষকে ব্যাপক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়েছে। খবর পেয়ে রানিগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরোধ তুলে দেয়।এই নিয়ে বিজেপি কর্মীর সঙ্গে কথা বলা হলে তারা জানান , মণ্ডল সভাপতি দীপ বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে কিছু তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন।













যাদের বিজেপির সঙ্গে আগে কোনো সম্পর্ক ছিল না। তারাই এখন বিজেপির পোশাক পরে দলে ঢোকার চেষ্টা করছেন। এর পেছনে রয়েছেন বিনোদ নুনিয়া। বিজেপি কর্মীরা এর প্রতিবাদ করে বলেছেন যে, নির্বাচনের আগে যারা তৃণমূল কংগ্রেসে ছিলেন, বিজেপির জয়ের পর তারা বিজেপিতে যোগ দেবেন, এটা তারা কখনোই মেনে নেবেন না। মন্ডল সম্পাদক আরো বলেন, মণ্ডল সভাপতিকে বেশ কয়েকবার বলা হলেও তিনি শোনেননি। মণ্ডল সভাপতির এই দাবি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন , রাস্তা অবরোধকারী অনেক কর্মীই বিজেপির কর্মী নন তিনি বলেন, মণ্ডল সভাপতি যদি এমন কথা বলেন, তাহলে তাঁর পদে থাকার কোনো অধিকার নেই ।
কারণ তিনি নিজের কর্মীদেরও চেনেন না।এই বিষয়ে জামুরিয়া মণ্ডল ৩ বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি অভিজিৎ মিত্র বলেন, এদিন যারা রাস্তা অবরোধ করেছেন, তারা এই কর্মসূচির জন্য দলের কাছ থেকে অনুমতি পাননি। ভোটের পরে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে আসা কর্মীরা বিজেপির পোশাক পরেছেন বলে তিনি যা বলছেন তা একেবারেই সত্যি নয়। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন যে, দলের অনুমতি ছাড়া এবং কাউকে না জানিয়ে যেভাবে এদিন রাস্তা অবরোধ করা হয়েছে, তাতে সাধারণ মানুষের অসুবিধা হয়েছে। অভিজিৎ মিত্র বলেন , যারা প্রতিবাদ করছেন তারা বিনোদ নুনিয়াকে গ্রেফতারের দাবি করছেন। সবাই এটাই চায়। কিন্তু এটা একটি প্রশাসনিক বিষয়। তবে তারজন্য রাস্তা অবরোধ করে মানুষকে হয়রানি করার কোনো মানে হয় না। দল এই বিষয়টা একেবারেই ভালো ভাবে নেয়নি।



