Category: RANIGANJ-JAMURIA

  • রানিগঞ্জে ১৪ নং জাতীয় সড়কের পাশে ধসে তৈরী গর্ত, এলাকায় আতঙ্ক

    রানিগঞ্জে ১৪ নং জাতীয় সড়কের পাশে ধসে তৈরী গর্ত, এলাকায় আতঙ্ক

    *বেঙ্গল মিরর, রানিগঞ্জ, চরণ মুখার্জী ও রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে হাই ভোল্টেজ বা উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ খুঁটির ঠিক নিচে ধসের ঘটনা ঘটলো। রবিবার বিকেলের এই ঘটনাকে কেন্দ্র চাঞ্চল্য ছড়ালো পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের রানিগঞ্জের শিশুবাগান মোড় এলাকায়। জনবহুল এলাকায় দিনে দুপুরে হঠাৎ করেই এই ধসের ঘটনা দেখে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।জানা গেছে, রবিবার বিকেল চারটে নাগাদ হঠাৎ করেই রানিগঞ্জের শিশুবাগান মোড়ের কাছে নজরুল মূর্তির বিপরীতে একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ খুঁটির নিচে ধস হয়। সেই ধসে হওয়া গর্ত প্রায় ৫ /৬ ফুট গভীর হয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনার সময় ঠিক ঐ জায়গায় একটি টোটো দাঁড়িয়েছিলো।

    ধসে হওয়া গর্তের মধ্যে সেই টোটোর ঢুকে পড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কিন্তু, তাড়াতাড়ি এলাকার বাসিন্দারা ঐ টোটোটিকে সেখান থেকে সরিয়ে নেন। তবে ঐ এলাকার মানুষজনেরা এই মুহূর্তে ঘটা ধসের ঘটনাকে লক্ষ্য করে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। উল্লেখ্য, ১৪ নং জাতীয় সড়কের ব্যস্ততম এলাকা এই শিশু বাগান দিয়ে প্রতিদিন হাজারো ছোট বড় গাড়ি যাতায়াত করে। আর এই এলাকায় বছর তিনেক আগে ধসের ঘটনা ঘটেছিলো।

    আর সেই এলাকার পাশেই নতুন করে এই ধসের ঘটনা ঘটায় , অনেকেরই অনুমান ধস আরও বাড়তে পারে। জানা গেছে, ব্রিটিশ শাসনে এইসব এলাকা দিয়ে জল নিকাশির জন্য বেশ কিছু নালা করা হয়েছিল। সেই নালা গুলি দিয়ে জল গিয়ে পড়তো হাই ড্রেনে। সেই নালার বেশ কিছু অংশ এই এলাকা দিয়ে গেছে কিনা তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। শিশু বাগান ডোমপাড়া এলাকায় পূর্বে একটি বিশাল ঝিল বা জলাশয় ছিল। পরে সেই জলাশয়টি একসময় এই এলাকায় থাকা ব্রিটিশ আমলের কয়লা খনির মধ্যে তলিয়ে যায়।

    এরপরে জলাশয়টি মিলিয়ে যেতে থাকে। বর্তমানে সেই এলাকাতেই জনবসতি গড়ে উঠেছে। আর সেই এলাকার আশেপাশে এই ধসের ঘটনা বেশ কয়েক দফায় ঘটলেও তা অগ্রাহ্য করেই চলছে বসবাস। তবে এবার জাতীয় সড়কের ধারে নুতন করে ধস হওয়ার ফলে, এখানে যে আর তা হবে না তা আর বলা যাচ্ছে না।

    যদিও এলাকার বাসিন্দারাদের বক্তব্যে তারা দাবী করেছেন, এটা বড়সড় কোন ধসের ঘটনা হয়তো নয়। বৃষ্টির কারণে জল জমে, তা ঢুকে গিয়ে নর্দমার মাটি সরে যাওয়ার কারণে এই ধসের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তারা বলেন, আগামী দিনে যাতে বড় ধরনের ধসের ঘটনা না ঘটে, তারজন্য প্রশাসনের তরফে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। তবে, এই নিয়ে প্রশাসনের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় নি।

  • “আগে ৫০০, এখন ২০০” — ট্রাক থেকে প্রকাশ্যে তোলাবাজির ভিডিও ভাইরাল, অস্বস্তিতে রাজনৈতিক মহল

    “আগে ৫০০, এখন ২০০” — ট্রাক থেকে প্রকাশ্যে তোলাবাজির ভিডিও ভাইরাল, অস্বস্তিতে রাজনৈতিক মহল

    বেঙ্গল মিরর, চরণ মুখার্জী, জামুড়িয়া, পশ্চিম বর্ধমান:দিন-দুপুরে ট্রাক দাঁড় করিয়ে টাকা আদায়! আর সেই দৃশ্যই এবার ক্যামেরাবন্দি হয়ে ভাইরাল। ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শিল্পাঞ্চল জামুড়িয়ায় তীব্র চাঞ্চল্য, আর প্রশ্নের মুখে পড়েছে প্রশাসনের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি।

    ভিডিওতে যা দেখা যাচ্ছে
    সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির ঘটনাস্থল জামুড়িয়া বিধানসভার মদনতোড় পঞ্চায়েত সংলগ্ন রাস্তা, যা চুরুলিয়া ফাঁড়ির অন্তর্গত।ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক ব্যক্তি একটি বালির ট্রাক থামিয়ে প্রকাশ্যে টাকা চাইছেন। তাঁর বক্তব্য, “আমাদের মদনতোড় পঞ্চায়েতে কিছু নেই। আগে ওভারলোড গাড়ি চললে ৫০০ টাকা নিয়ে ছেড়ে দিতাম। এখন স্টক থেকে আন্ডারলোড গাড়ি যাচ্ছে, তাই ২০০ টাকা করে নিচ্ছি।”

    কার বিরুদ্ধে অভিযোগ?
    সূত্রের খবর, ভিডিওতে থাকা ওই ব্যক্তির নাম রাকেশ মাজি। তিনি জামুড়িয়া বিধানসভার জামুড়িয়া মন্ডল ১-এর বিজেপির শক্তি কেন্দ্র প্রমুখ।ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরেই খনি-শিল্পাঞ্চলের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছেন, প্রকাশ্যে এভাবে তোলাবাজি চললে প্রশাসন কী করছে?

    পুলিশ কী বলছে?
    ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে জামুড়িয়া থানার পুলিশ। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুলিশ গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।

    এই ভিডিও ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাঁদের প্রশ্ন, রাস্তায় প্রকাশ্যে এভাবে টাকা তোলা হলে সাধারণ ব্যবসা-বাণিজ্য কীভাবে চলবে?

  • रानीगंज में विधायक कार्यालय का उद्घाटन, पुरुलिया के सांसद रहे मुख्य अतिथि

    *बंगाल मिरर, रानीगंज, चरण मुखर्जी व राजा बंदोपाध्याय:* पश्चिम बर्धमान जिले के रानीगंज के पंजाबी मोड़ क्षेत्र में रविवार को विधायक कार्यालय का उद्घाटन किया गया। इस अवसर पर आयोजित कार्यक्रम में मुख्य अतिथि के रूप में पुरुलिया के सांसद ज्योतिर्मय सिंह महतो उपस्थित रहे। उन्होंने फीता काटकर विधायक कार्यालय का उद्घाटन किया।कार्यक्रम में राज्य के लोक निर्माण (पीडब्ल्यूडी) एवं जनस्वास्थ्य अभियांत्रिकी विभाग के मंत्री डॉ. अजय पोद्दार, अध्यक्ष देवतनु भट्टाचार्य, रानीगंज के विधायक पार्थ घोष, बाराबनी के विधायक अरिजीत राय तथा रानीगंज मंडल-1 के अध्यक्ष शमशेर सिंह सहित भाजपा के अन्य नेता और कार्यकर्ता मौजूद थे।

    उद्घाटन के बाद विधायक पार्थ घोष ने कहा कि इस नए कार्यालय के माध्यम से क्षेत्र के आम लोग अपनी समस्याएं अधिक आसानी से रख सकेंगे और आवश्यक सेवाएं प्राप्त कर सकेंगे। उन्होंने उम्मीद जताई कि यह कार्यालय जनता के हित में कार्य करने में महत्वपूर्ण भूमिका निभाएगा।उन्होंने आगे कहा कि पंजाबी मोड़ पर राष्ट्रीय राजमार्ग के किनारे स्थित होने के कारण इस कार्यालय तक लोगों की पहुंच बेहद सुविधाजनक होगी। इससे विभिन्न आवश्यकताओं के लिए आने वाले लोगों को किसी प्रकार की परेशानी नहीं होगी। उन्होंने विश्वास व्यक्त किया कि इसी कार्यालय से क्षेत्र के विकास कार्यों और जनसेवा संबंधी गतिविधियों का संचालन और अधिक प्रभावी एवं गतिशील तरीके से किया जाएगा।

  • রানিগঞ্জে বিধায়কের কার্যালয়ের উদ্বোধনে পুরুলিয়ার সাংসদ

    *বেঙ্গল মিরর, রানিগঞ্জ, চরণ মুখার্জী ও রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* পশ্চিম বর্ধমান জেলার রানিগঞ্জের পাঞ্জাবি মোড় এলাকায় রবিবার বিধায়কের কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হয়। এই উপলক্ষে হওয়া এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। তিনি ফিতে কেটে বিধায়কের কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন।এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পূর্ত ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের মন্ত্রী ডাঃ অজয় পোদ্দার, সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য, রানিগঞ্জের বিধায়ক পার্থ ঘোষ, বারাবনির বিধায়ক অরিজিৎ রায় এবং রানিগঞ্জ মণ্ডল-১-এর সভাপতি শামশের সিং সহ বিজেপির অন্যান্য নেতা ও কর্মীরা।

    উদ্বোধনের পর বিধায়ক পার্থ ঘোষ বলেন, এই নতুন কার্যালয়ের মাধ্যমে এলাকার সাধারণ মানুষ আরও সহজে তাঁদের সমস্যার কথা জানাতে এবং প্রয়োজনীয় পরিষেবা পেতে পারবেন। মানুষের স্বার্থে কাজ করার ক্ষেত্রে এই কার্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি আশা ব্যক্ত করেন।তিনি আরো বলেন, পাঞ্জাবি মোড়ে জাতীয় সড়কের ধারে কার্যালয়টি হওয়ায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত অত্যন্ত সুবিধাজনক হবে। ফলে বিভিন্ন প্রয়োজন নিয়ে আসা মানুষের কোনও অসুবিধা হবে না। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই কার্যালয় থেকেই এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ এবং জনসেবামূলক কার্যক্রম আরও গতিশীলভাবে পরিচালিত হবে।

  • जामुड़िया के अल्पसंख्यक बहुल गांव में भाजपा कार्यालय का उद्घाटन, विधायक रहे मौजूद

    *बंगाल मिरर, जामुड़िया, राजा बंदोपाध्याय:* आसनसोल के जामुड़िया विधानसभा क्षेत्र के अल्पसंख्यक बहुल देशेर महान गांव में भारतीय जनता पार्टी (भाजपा) के नए पार्टी कार्यालय का उद्घाटन किया गया। रविवार को आयोजित एक कार्यक्रम में जामुड़िया के विधायक बिजन मुखोपाध्याय ने फीता काटकर कार्यालय का उद्घाटन किया।इस अवसर पर विधायक बिजन मुखोपाध्याय ने कहा कि भाजपा एक ऐसी पार्टी है जो सभी समुदायों के लोगों के बारे में सोचती है।

    हमारी सरकार सभी वर्गों के लोगों के लिए विकासात्मक योजनाएं लागू करती है।उन्होंने आगे कहा कि इस गांव में पूरी तरह मुस्लिम समुदाय के लोग निवास करते हैं। यह गांव केवल अजय नदी के किनारे स्थित क्षेत्र के रूप में ही नहीं, बल्कि पश्चिम बर्धमान जिले के आसनसोल महकमे के एक महत्वपूर्ण हिस्से के रूप में अपनी पहचान बनाए, यही हमारी इच्छा है।कार्यक्रम में गांव के भाजपा नेता, कार्यकर्ता तथा बड़ी संख्या में महिला और पुरुष उपस्थित थे।

  • পেমেন্ট থেকে কমিশন কাটার অভিযোগ জামুড়িয়ার রেল সাইডিংয়ে কয়লা পরিবহন বন্ধ

    *বেঙ্গল মিরর, জামুড়িয়া, চরণ মুখার্জী ও রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রশাসনের সর্বস্তরে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করার বার্তা দিয়েছেন। সেই প্রেক্ষাপটে পশ্চিম বর্ধমান জেলার জামুড়িয়া বিধানসভার তপসী রেলওয়ে সাইডিংকে ঘিরে উঠা একাধিক অভিযোগ নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে পরিবহণ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে। এইসব অভিযোগকে সামনে এনে গাড়ির মালিক ও চালকেরা রেল সাইডিংয়ে কয়লা পরিবহন রবিবার সকাল থেকে বন্ধ করে দিয়েছেন। গাড়ির মালিক ও চালকদের একাংশের অভিযোগ, তপসী রেলওয়ে সাইডিংয়ে বর্তমানে জগদ্ধাত্রী মুভার্স ট্রান্সপোর্ট, শ্রীমাধব ট্রান্সপোর্ট, আইটি এন্টারপ্রাইজ, এবং এমএমপিএল নামে চারটি ট্রান্সপোর্ট সংস্থা কয়লা পরিবহণের কাজ করছে।

    তাঁদের দাবি, বিভিন্ন সংস্থা পেমেন্ট দেওয়ার সময় ৬ শতাংশ, ৮ শতাংশ ও ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন কেটে নিচ্ছে। এমএমপিএলের ক্ষেত্রে এখনও কোনও পেমেন্ট না হওয়ায় কত শতাংশ কাটা হবে, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে বলে অভিযোগ।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন প্রায় ৭০ থেকে ৮০টি ডাম্পার এই সাইডিং থেকে কয়লা পরিবহণের কাজে যুক্ত থাকে। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বহু গাড়ির মালিক নির্ধারিত সময়ে তাঁদের প্রাপ্য অর্থ পাচ্ছেন না।

    বিশেষ করে এমএমপিএলের বিরুদ্ধে প্রায় ৭০ লক্ষ টাকার বকেয়া আটকে রাখার অভিযোগ তোলা হয়েছে। এর প্রতিবাদে গাড়ির মালিকরা কয়লা বোঝাই গাড়ি সাইডিং থেকে না সরিয়ে রেখে দেন, যার জেরে পরিবহণ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়।এক গাড়ির মালিকের দাবি, কারখানা কর্তৃপক্ষ সাধারণত প্রায় ২০ দিনের মধ্যেই ট্রান্সপোর্ট সংস্থাগুলির বিল মিটিয়ে দেয়। কিন্তু সেই অর্থ গাড়ির মালিকদের হাতে পৌঁছাতে অস্বাভাবিক দেরি হচ্ছে। তাঁর আরও অভিযোগ, ট্রান্সপোর্ট সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যদি কোনও কমিশন কাটা ছাড়াই সম্পূর্ণ টাকা নিতে চান, তাহলে প্রায় তিন মাস অপেক্ষা করতে হবে।

    তাই আমরা এদিন বেলা বারোটার পর থেকে গাড়ি চালানো বন্ধ করে দিয়েছি। যতদিন না, আমাদের দাবি মানা হচ্ছে, ততদিন এই আন্দোলন চলবে।এই অভিযোগের সত্যতা জানতে সংশ্লিষ্ট চারটি ট্রান্সপোর্ট সংস্থার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও, তাদের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।এখন প্রশ্ন উঠছে, গাড়ির মালিকদের এই অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট দফতর কোনও তদন্ত শুরু করবে কি না। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সেদিকেই নজর সবার।

  • জামুড়িয়ায় সংখ্যালঘু অধ্যুষিত গ্রামে বিজেপি কার্যালয়ের উদ্বোধনে বিধায়ক

    *বেঙ্গল মিরর, জামুড়িয়া, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* আসানসোলের জামুরিয়া বিধানসভায় সংখ্যালঘু অধ্যুষিত দেশের মহান গ্রামে বিজেপি বা ভারতীয় জনতা পার্টির নতুন কার্যালয় হলো। রবিবার এক অনুষ্ঠানে ফিতে কেটে এই কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন জামুরিয়ার বিধায়ক বিজন মুখোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গে বিজেপি বিধায়ক বলেন, বিজেপি এমন একটা দল,যারা সব সম্প্রদায়ের মানুষজনদের কথা ভাবে।

    আমাদের দলের সরকার সবার জন্য উন্নয়নমুলক প্রকল্প করে। তিনি আরো বলেন, এই গ্রামের পুরোটাই মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের বাস। এই গ্রাম অজয় নদীর পার লাগোয়া হিসেবে নয়, আমরা চাই এটি পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার একটা জায়গা হিসেবে পরিচিত পাক। এদিনের অনুষ্ঠানে গ্রামের বিজেপি নেতা ও কর্মীদের মহিলা ও পুরুষেরা উপস্থিত ছিলেন।

  • जामुड़िया में माकपा के रक्तदान शिविर में राजनीतिक सभा का विरोध किया भाजपा कार्यकर्ताओं ने, तनाव, नोंक-झोंक

    जामुड़िया में माकपा के रक्तदान शिविर में राजनीतिक सभा का विरोध किया भाजपा कार्यकर्ताओं ने, तनाव, नोंक-झोंक

    बंगाल मिरर, जामुड़िया, राजा बंदोपाध्याय: पश्चिम बर्दवान जिले के जामुड़िया विधानसभा क्षेत्र अंतर्गत आसनसोल नगर निगम के वार्ड संख्या-3 के 10 नंबर इलाके में शनिवार को दिवंगत सांसद विकास चौधरी की 22वीं पुण्यतिथि के अवसर पर माकपा (सीपीआई-एम) की ओर से रक्तदान शिविर का आयोजन किया गया। कार्यक्रम के दौरान अचानक तनावपूर्ण स्थिति उत्पन्न हो गई।रक्तदान शिविर के अवसर पर आयोजित सभा को माकपा की राज्य नेत्री मीनाक्षी मुखोपाध्याय संबोधित कर रही थीं।

    प्रत्यक्षदर्शियों के अनुसार, इसी दौरान भाजपा मंडल-4 के सचिव राजू गांगुली, मंडल-4 युवा मोर्चा के अध्यक्ष विशाल गांगुली सहित कुछ भाजपा कार्यकर्ता कार्यक्रम स्थल पर पहुंचे।आरोप है कि इसके बाद मंच से ही मीनाक्षी मुखोपाध्याय तथा भाजपा नेताओं राजीव गांगुली और विशाल गांगुली के बीच तीखी बहस शुरू हो गई। इसके बाद वहां मौजूद माकपा समर्थकों ने भाजपा कार्यकर्ताओं से कार्यक्रम स्थल छोड़ने को कहा।आरोप है कि कुछ भाजपा कार्यकर्ताओं द्वारा कार्यक्रम को लेकर आपत्तिजनक टिप्पणियां किए जाने के बाद दोनों पक्षों के बीच कहासुनी शुरू हो गई, जिससे माहौल तनावपूर्ण हो गया।

    स्थिति बिगड़ती देख जामुड़िया थाने की पुलिस ने तत्काल हस्तक्षेप कर दोनों पक्षों को शांत कराया। बाद में पुलिस के वरिष्ठ अधिकारी भी मौके पर पहुंचे और स्थिति को पूरी तरह नियंत्रण में ले लिया। पुलिस की तत्परता से किसी भी बड़ी अप्रिय घटना को टाल दिया गया और रक्तदान शिविर शांतिपूर्वक संपन्न हुआ।माकपा की ओर से कहा गया है कि पूरे मामले को लेकर जामुड़िया थाने में लिखित शिकायत दर्ज कराई जाएगी।घटना पर प्रतिक्रिया देते हुए माकपा की राज्य नेत्री मीनाक्षी मुखोपाध्याय ने कहा, “आज जो हुआ, वही भाजपा का चरित्र है। तृणमूल कांग्रेस के शासनकाल में जो होता था, वही अब भाजपा के दौर में हो रहा है। भाजपा हर जगह दमन की राजनीति करने की कोशिश कर रही है। बंगाल की जनता सब देख रही है। यदि भाजपा में हिम्मत है तो वह स्पष्ट करे कि जो लोग वहां पहुंचे थे, क्या वे पार्टी के नहीं थे।”

    वहीं भाजपा मंडल-4 के अध्यक्ष संजय सिंह ने आरोपों को खारिज करते हुए कहा, “भाजपा के नेता वहां कोई विवाद करने नहीं गए थे। सभी स्थानीय निवासी हैं और रक्तदान शिविर आयोजित करना सभी का अधिकार है। लेकिन कार्यक्रम के दौरान माकपा की ओर से भाजपा के खिलाफ लगातार प्रचार किया जा रहा था। स्थानीय भाजपा नेताओं ने केवल उसका विरोध किया।”फिलहाल पुलिस पूरे घटनाक्रम पर नजर बनाए हुए है। मामले में शिकायत मिलने के बाद आगे की कार्रवाई की जाएगी।

  • জামুড়িয়া সিপিএমের রক্তদান শিবিরে বিজেপি কর্মীদের উপস্থিতি ঘিরে উত্তেজনা, দুপক্ষের মধ্যে বচসা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ

    জামুড়িয়া সিপিএমের রক্তদান শিবিরে বিজেপি কর্মীদের উপস্থিতি ঘিরে উত্তেজনা, দুপক্ষের মধ্যে বচসা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ

    বেঙ্গল মিরর, জামুড়িয়া, চরণ মুখার্জী ও রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* আসানসোলের জামুড়িয়া বিধানসভার আসানসোল পুরনিগমের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ১০ নম্বর এলাকায় সিপিএমের উদ্যোগে প্রয়াত সাংসদ বিকাশ চৌধুরীর স্মরণে ২২ তম প্রয়াণ দিবসে শনিবার একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। হঠাৎ উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। রক্তদান শিবির উপলক্ষে হওয়া মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখছিলেন সিপিএমের রাজ্য নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সেই সময় বিজেপির মণ্ডল-৪-এর সম্পাদক রাজু গাঙ্গুলি এবং মণ্ডল-৪ যুব মোর্চার সভাপতি বিশাল গাঙ্গুলি সহ কয়েকজন বিজেপি কর্মী অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান। অভিযোগ, এরপর মঞ্চ থেকেই মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাজীব গাঙ্গুলির ও বিশাল গাঙ্গুলির বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে সেখানে উপস্থিত সিপিএমের সমর্থকেরা বিজেপি কর্মীদের অনুষ্ঠানস্থল ছেড়ে চলে যেতে বলেন।

    অভিযোগ, এরপর কিছু বিজেপি কর্মী অনুষ্ঠানকে ঘিরে আপত্তিকর মন্তব্য করলে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয় এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত জামুড়িয়া থানার পুলিশ দ্রুত হস্তক্ষেপ করে উভয় পক্ষকে শান্ত করে। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনেন। পুলিশের তৎপরতায় কোনও বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয় এবং পরে রক্তদান শিবির স্বাভাবিকভাবে শেষ হয়। সিপিএমের তরফে বলা হয়েছে, গোটা বিষয়টি নিয়ে জামুড়িয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে।

    মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে বলেন, এদিন যা হলো এটাই বিজেপির চরিত্র। তৃণমূল কংগ্রেসের জমানায় যা হতো, তা বিজেপির জমানায় হচ্ছে। সব জায়গায় বিজেপি দমন-পীড়ন করার চেষ্টা করছে। বাংলার মানুষ সব দেখছেন। তিনি আরো বলেন, বিজেপির যদি সাহস থাকে তাহলে বলুক, যারা এসেছিলো, তারা দলের নয়।এই প্রসঙ্গে বিজেপি ৪ নং মন্ডল সভাপতি সঞ্জয় সিং বলেন বিজেপির নেতারা ওখানে কোন গন্ডগোল করতে যায় নি। সবাই এলাকার বাসিন্দা। রক্তদান শিবির সবাই করতে পারে। কিন্তু সিপিএমের তরফে এদিনের রক্তদান শিবির থেকে বিজেপির নামে অপপ্রচার করা হচ্ছিলো। তাই স্থানীয় বিজেপি নেতারা তার প্রতিবাদ করেন।

  • জামুরিয়ায় অভিযান রাজ্য পুলিশের এসটিএফের, গ্রেফতার অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী, দুটি আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার

    *বেঙ্গল মিরর, জামুরিয়া ও আসানসোল, চরণ মুখার্জী ও রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের জামুরিয়া এলাকায় অবৈধ অস্ত্র পাচারের বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স এসটিএফ একটি বড় অভিযান চালায়। বৃহস্পতিবার রাতের এই অভিযানে এসটিএফের অফিসাররা সন্দেহভাজন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ধৃতর কাছ থেকে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এসটিএফ গোপন খবর পায় যে জামুরিয়া থানা এলাকার কেন্দার বেলবাদ বাসস্ট্যান্ডের কাছে এক যুবক অবৈধ অস্ত্রসহ দাঁড়িয়ে রয়েছে।

    এই তথ্যের ভিত্তিতে এসটিএফ দল তাৎক্ষণিকভাবে এলাকাটি ঘিরে ফেলে এবং অভিযান চালায়। সেই অভিযানে ২৪ বছর বয়সী খায়রুল আলম চৌধুরীকে আটক করা হয়। তল্লাশির সময় তার কাছ থেকে দুটি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এরপরে তাকে জামুড়িয়া থানায় নিয়ে আসা হয়। এসটিএফের তরফে জামুড়িয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। এরপরই ঐ যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসটিএফ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত যুবক পাণ্ডবেশ্বর থানার অন্তর্গত ডালুর বাঁধ এলাকার বাসিন্দা।

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ধৃত যুবক একটি বড় অবৈধ অস্ত্র চোরাচালান চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। অস্ত্রগুলো কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং কাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ছিল, তা বার করতে এসটিএফ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবে। শুক্রবার ধৃতকে আসানসোল আদালতে পেশ করে, এসটিএফ পরবর্তী তদন্তের জন্য হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করে।

    তদন্তকারী অফিসাররা মনে করছেন, এই গ্রেফতার একটি বড় অবৈধ অস্ত্র চক্র উন্মোচনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করার জন্য এসটিএফ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত যে কারও বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত থাকবে।