আসানসোলে ইসিএলের উচ্ছেদ অভিযান বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ২০টি পরিত্যক্ত আবাসন
*বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* জবরদখল ঠেকাতে বড়সড় উচ্ছেদ অভিযান চালালো ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড বা ইসিএল। মঙ্গলবার থেকে ইসিএলের শ্রীপুর-সাতগ্রাম এরিয়ার ভানোড়া – গিরমিন্ট গ্রুপের গিরমিন্ট এলাকায় চাল্লিশ ধাওড়ায় বুলডোজার চালিয়ে প্রায় ২০টি জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত আবাসন ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার কাজ শুরু হলো।এই অভিযানের সময় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে উপস্থিত ছিলেন ইসিএলের শ্রীপুর-সাতগ্রাম এরিয়ার শীর্ষ আধিকারিক, আসানসোল উত্তর থানার পুলিশ, ইসিএলের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী ও সিআইএসএফ।














নিরাপত্তার বলয় তৈরি করেই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করা হয়।ইসিএল সূত্রে জানা গেছে, এই আবাসনগুলি দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। যেকোন মুহূর্তে ধসে পড়ে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। বিপদ জেনেও একশ্রেণীর মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সেখানে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন। কর্তৃপক্ষ একাধিকবার নোটিশ ও নির্দেশ দিলেও তারা আবাসন খালি করেননি।অবশেষে গত ২২ জুলাই ইসিএলের পক্ষ থেকে আবাসনগুলি খালি করার জন্য চূড়ান্ত নোটিশ জারি করা হয়।

সেই নোটিশের সময়সীমা পার হতেই পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।ঘটনা প্রসঙ্গে ইসিএলের ভানোড়া – গিরমিন্ট গ্রুপের ডেপুটি ম্যানেজার জয়শ্রী যাদব ও সার্ভে অফিসার সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায় বলেন, আবাসনগুলি অত্যন্ত বিপজ্জনক অবস্থায় ছিল। যেকোন মুহূর্তে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে প্রাণহানি হতে পারতো।
আমরা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে থাকা বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলাম, কিন্তু তারা তা শোনেননি। তাই নিরাপত্তার স্বার্থেই আগাম নোটিশ দিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা ২০ টি আবাসন ভাঙার কাজ শুরু হলো। দুদিনের মধ্যে এই আবাসন ভাঙ্গার কাজ শেষ করা হবে বলে তারা জানিয়েছেন।

